ব্রাশ এর ব্যবসা হলো বর্তমানে সব থেকে লাভজনক ব্যবসা। মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যবহার করা জিনিসপত্রের মধ্যে অন্যতম হলো ব্রাশ। যা মানুষ দৈনিক ব্যবহার করে থাকেন। বর্তমানে দেখা যায় যে গ্রামে এবং শহর গুলোতে প্রতিটা পরিবারে ব্রাশ ব্যবহার করে থাকেন। তার জন্য ব্রাশ এর অনেক চাহিদা রয়েছে। তাছাড়া ব্যবসার জগতে সব থেকে লাভবান ব্যবসা হলো ব্রাশ এর ব্যবসা। তাছারা এই ব্যবসা করতে বেশি পুজি লাগে না। অল্প টাকা পুজি নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। তাই তরুণ -তরুণীরা এই ব্যবসা নিজেদের কর্মস্থান হিসাবে বেছে নিতে পারেন।

ব্রাশে এর পাইয়ারি ব্যবসা কি

কাঁচামালের উৎপাদক বা আমদানিকারকের নিকট হতে অধিক পরিমাণের কাঁচামাল ক্রয় করে তা শিল্পোৎপাদকের নিকট অথবা উৎপাদক বা আমদানিকারকের নিকট হতে ভোগ্য পণ্য ক্রয় করে খুচরা ব্যবসায়ীর নিকট বিক্রয় কার্যকে পাইকারি ব্যবসায় বলা হয়। এই রকম ব্যবসায়ী অধিক পরিমাণের ব্রাশ ক্রয় করে থাকেন। তাছারা তাদের আর্থিক অবস্থা অনেক ভালো থাকে। চূরান্ত ভোগকারীদের নিকট পণ্য বিক্রয় করার কোনো উদ্দেশ্য এরুপ ব্যবসায়ীদের থাকে না।

কি ভাবে এই ব্যবসা করব

প্রথমে ভালো কোম্পানীর সাথে যোগাযোগ করতে হবে। ব্রাশের নাম বা দাম জান্তে হবে। কি ভাবে ব্রাশ ক্রয় করবেন সেই রকম ধারনা থাকতে হবে আপনার। আপনি কোম্পানি থেকে ব্রাশ ক্রয় না করে ঢাকা চকবাজার থেকে ব্রাশ ক্রয় করে পাইকারি বিক্রয় করলে অনেক লাভবান হওয়া যাইবে।

ব্রাশের ব্যবসার মূলধন

সাধারনত এই ব্রাশের ব্যবসায় তেমন বেশি মূলধন লাগে না। পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা পুজি নিলে আপনি এই ব্যবসা করতে পারবেন।

ব্রাশের ব্যবসার সুুবিধা

এই ব্যবসা করতে বেশি পুজি লাগে না। অতিরিক্ত লোকেরও প্রয়োজন হয় না। তাছারা আপনি নিজেই এই ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন। আর যদি ঢাকা চকবাজার থেকে মাল ক্রয় করেন তাহলে আপনি অল্প খরচে ট্রান্সপোর্ট এর মাধ্যে বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় বা স্থানে নিতে পারবেন। তাছারা আরো সুবিধা হলো আপনি এই ব্যবসা করলে আপনাকে ঢাকায় গিয়ে মাল ক্রয় করতে হবে না। আপনি বিকাশ বা বাংকের মাধ্যদে টাকা পাটিয়ে দিলে আপনার মাল জায়গা মতো পাটিয়ে দিবে।

See also  নার্সারির ব্যবসার আইডিয়া! লাভজনক নার্সারির ব্যবসা

মার্কেটিং

ব্রাশের মার্কেটিং করতে তেমন পরিশ্রম হয় না। বাইসাইকেল হলে খুব সহজে এই মার্কেটিং করতে পারবেন। ব্রাশের মার্কেটিং করতে অতিরিক্ত লোকের প্রয়োজন হয় না। আপনি বাজারে বাজারে গিয়ে এক দিন অর্ডার আনবেন আরেক দিন আপনি নিজেই মাল ডেলিভারি দিতে পারবেন। মার্কেটিং করার সময় সাথে করে আপনি কিছু সেম্পল নিয়ে জাইবেন। আর এই সেম্পল দেখিয়ে আপনি দোকানদার কাজ থেকে অর্ডার সংগ্রহ করবেন।

ব্রাশের দাম

বাংলাদেশে ব্রাশের দাম অনেকটাই কম। সর্বনিম্ন ব্রাশের দাম ১০৫ ডজন এবং সর্বোচ্চ দাম ৪৫০ টাকায় ডজন পাইকারি কিনতে পাওয়া যায়। তবে চায়না ব্রাশের দাম একটু বেশি হয়ে থাকেন। দেশি – বিদেশি বিভিন্ন ধরনের ব্রাশ আমাদের এই বাংলা দেশে পাওয়া যায়। এই ব্রাশের দাম একেকটা ওকেক রকমের দামে পাওয়া যায়। বিভিন্ন ধরনের ব্রাশের কোম্পানি নিজ নিজ দাইত্তে ব্রাশ পৌছে দিয়ে থাকেন। আপনি ইচ্ছা করলে কোম্পানি থেকে ব্রাশ কিনে ব্যবসা শুরু করতে পারেন।২ হাজার টাকার ব্রাশে ২ হাজার টাকাই ইনকাম করা যায়। বর্তমানে দোকান দাররা ৩০টাকা ব্রাশ কিনে ৬০-৭০ টাকা বিক্রয় করে থাকেন। আপনি যদি প্রতিদিন ২০-৩০ ডজন ব্রাশ বিক্রয় করতে পারেন তাহলে লাভ হবে প্রায় ১০০০-১৫০০টাকা।আপনি যদি ২ হাজার পুজি নিয়ে প্রতি দিন ১ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন তাহলে আপনার মাসে আশতাছে ৩০ হাজার টাকা।

ব্রাশের ব্যবসার লাভ

জারা ব্রাশের পাইকারি ব্যবসা করে তারা প্রতি বক্স ব্রাশে ৫০টাকা লাভ দেখে পাইকারি বিক্রয় করে থাকেন। আর আপনি যদি প্রতিদিন ২৫ বক্স ব্রাশ বিক্রয় করতে পারেন তাহলে দেখা যায় যে আপনার প্রতিদিন লাভ আসতাছে ১২৫০ টাকা। এর থেকে আপনার রোড খরচ বাদ দিবেন ১০০ টাকা। তাহলে আপনার আরো ১১৫০ টাকা লাভ থাকতাছে। মাসে দেখা যায় যে আপনার আসতাছে ১১৫০×৩০=৩৪৫০০ টাকা আপনার মাসে আসতাছে।

See also  যাত্রাবাড়ী পাইকারি বাজার!