ফার্মেসীর ব্যবসা বর্তমানে বাংলাদেশে ঔষধের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। খাদ্যের মতো মানুষের ঔষধ প্রয়োজন হয়ে থাকে। তাছারা ঔষধের ব্যবসা করতে বশি পুজি লাগে না। ঔষধের ব্যবসা করে আমাদের দেশের মানুুষেরা মাসে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করতাছে। তাই আপনি ও নিজের কর্মস্থান হিসাবে বেছে নিতে পারেন এই ফার্মেসীর ব্যবসা। ফার্মেসীর ব্যবসা হলো একটা লাভজনক ব্যবসা। বর্তমানে ব্যবসায়ের জগতে সবথেকে বেশি লাভজনক ব্যবসা হল ফার্মেসীর ব্যবসা। বাংলাদেশে অনেক ঔষধ কোম্পানি আছে যাদের  ঔষধের ৫০% লাভ হয়ে থাকে। বর্তমানে আমাদের বাংলাদেশ থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ঔষধ রপ্তানি করে থাকেন। আমাদের দেশে যে ঔষধের চাহিদা রয়েছে তার থেকে ৯৫% ঔষধ বাংলাদেশে তৈরি হয়ে থাকে আর ৫% ঔষধ দেশের বাহির থেকে আসে। আপনি ইচ্ছা করলে আজিই এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

ফার্মেসীর কোর্স

বর্তমানে বাংলাদেশে ফার্মেসী দোকান দিতে হলে আগে ফার্মেসীর ফাউন্ডেশ এর কোর্স করে নিতে হবে। তাছারা এই কোর্স ৩ – ৪ মাসে শেষ করতে হবে। এই কোর্স করার জন্য আপনাকে আগে ফার্মেসী ফাউন্ডেশনে ভর্তি হতে হবে। ভর্তির নোটিশ জানতে www.pcb.gov.bd  এই ওয়েবসাইটে পাবেন।

স্থান নির্বাচন

ফার্মেসী দেওয়ার জন্য আপনাকে এমন একটা জায়গা বা স্থান নির্বাচন করতে হবে জাতে করে দিন রাত মানুষে আগমন থাকে। এবং বাজারের মেইন রাস্তায় দোকান হলে আরো বেশি ভাল হয়। জাতে করে আপনার ফার্মেসীটা সবার নজরে পরে এবং খুব সহজে চেনা জায়।

মূলধন

ফার্মেসীর ব্যবসা করতে হলে সর্বনিম্ন দুই লাখ টাকা পুজি লাগবে। তাছারা পুজি একটু বেশি বিনিয়োগ করলে আরো বেশি ভাল হবে। যদি আপনার নির্দিষ্ট দোকান থাকে তাহলে ভালো। আর যদি না থাকে তাহলে আপনার দোকানের জন্য দোকান ভাড়া, আসবাবপত্র,ঔষধ, চিকিৎসার সরঞ্জাম ইত্যাদির জন্য আরো মূলধনের প্রয়োজন হতে পারে।

See also  রাজধানীর কোন মার্কেট কবে বন্ধ থাকে | When is any market in the capital closed?

ঔষধের পাইকারি মার্কেট

দেশের বিভিন্ন কোম্পানি থেকে ঔষধ কিনে বিক্রয় করলে ২০% লাভ হবে। আর যদি ঢাকা মিডফোর্ট পাইকারি মার্কেট থকে ঔষধ ক্রয় করলে আরো বেশি লাভ হবে। সেই জন্য আপনার ফার্মেসীর জন্য ঢাকা মিডফোর্ট পাইকারি মার্কেট থেকে মাল কিনে ব্যবসা করলে অনেক ভালো এবং লাভবান হওয়া যাবে।

ফার্মেসীর লাইসেন্স

ফার্মেসীর দোকান দিতে হলে আপনাকে অবশ্যই লাইসেন্স নিতে হবে। ড্রাগ লাইসেন্সের জন্য আপনাকে আবেদন করতে হবে। আর আবেদন করতে যা যা প্রয়োজন তা নিম্নে দেওয়া হলো

১. ট্রেড লাইসেন্স

২. পাসর্পোট সাইজের ছবি

৩. দোকান ভাড়ার রশিদ/ চুক্তি পত্র

৪. ব্যাংক সলভেন্সি

৫. ফার্মেসীর কোর্স সার্টিফিকেটের ফটোকপি

তাছারা ফার্মেসীর লাইসেন্স পেতে হলে আপনার সাধারণত প্রায় বিশ হাজার টাকা লাগতে পারে। লাইসেন্স নিতে হলে আপনাকে  www.dgda.gov.bd এই ওয়েবসাইট থেকে ফরম ডাউনলোড করে ফরম পূরন করতে হবে।

ফার্মেসীর লাভ

বর্তমানে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষেই জানে যে ফার্মেসীর ব্যবসা করে অনেক লাভবান হওয়া যায়। সাধারণত কোন কোম্পনির ঔষধ বিক্রয় করলে ১৫% – ২০% পর্যন্ত লাভ দিয়ে থাকে। তাছারা মাসে পাচঁ লাখ টাকা আমদানি করলে এক লাখ টাকা ইনকাম হতে পারে। তাছারা যত বেশি মূলধন বিনিয়োগ করবেন ততো বেশি লাভ হবে।। ধন্যবাদ।।